স্টার্টআপে MVP তৈরির আগে ব্যবহারকারীর চাহিদা কীভাবে যাচাই করবেন

webmaster

MVP와 사용자 요구 사항의 관계 - Photorealistic product development workshop in a modern Dhaka startup office, a small diverse Bangla...

MVP কোনো অসম্পূর্ণ পণ্য প্রকাশের নাম নয়; এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারকারী সমস্যার সমাধান যাচাইয়ের পদ্ধতি। জানুন কীভাবে প্রয়োজনীয়তা অগ্রাধিকার দেবেন, ফিচার কমাবেন এবং ইন-হাউস টিম বা ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি বেছে নেওয়ার আগে খরচ ও ঝুঁকি বিচার করবেন।

MVP와 사용자 요구 사항의 관계 관련 이미지 1

MVP-তে আগে যাচাই করুন একটি নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী গোষ্ঠীর একটি প্রধান সমস্যার সমাধান সত্যিই দরকার কি না। ব্যবহারকারী যা চাইছেন বলে জানান, তার চেয়ে তারা বাস্তবে কীভাবে কাজ করেন ও কোথায় আটকে যান—সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম সংস্করণে সব ফিচার যোগ না করে শেখার লক্ষ্য ঠিক করুন। এতে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট খরচ, সময় এবং প্রযুক্তিগত ঝুঁকি তুলনা করা সহজ হয়। প্রোটোটাইপ, UX গবেষণা বা ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি বাছাইয়ের আগেও কোন অনুমান পরীক্ষা করবেন তা পরিষ্কার থাকা দরকার। ব্যবহারকারীর প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী MVP ছোট করা, বদলানো বা নতুন দিকে নেওয়া স্বাভাবিক।

এক নজরে দেখুন

  • আগে যাচাই করুন: নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর প্রধান সমস্যা সত্যিই আছে কি না এবং তারা সেটি সমাধানে আগ্রহী কি না।
  • MVP-এর কাজ: সব ফিচার বানানো নয়; সীমিত পরিসরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুমান পরীক্ষা করা।
  • ফিচার বাছাইয়ের ভিত্তি: ব্যবহারকারীর প্রভাব, ব্যবসায়িক মূল্য, বাস্তবায়নের সময় এবং প্রযুক্তিগত ঝুঁকি।
বিচারের বিষয় যা দেখবেন MVP সিদ্ধান্তে প্রভাব
ব্যবহারকারীর সমস্যা বাস্তবে কাজের সময় কোথায় বাধা, বিলম্ব বা বিভ্রান্তি হয় প্রধান সমস্যা স্পষ্ট না হলে ফিচার যোগ না করে গবেষণা বাড়ান
ব্যবহারকারীর মূল্য সমাধানটি একটি জরুরি কাজ সহজ করে কি না উচ্চ প্রভাবের কাজকে প্রথম সংস্করণে অগ্রাধিকার দিন
উন্নয়ন জটিলতা বাস্তবায়নের সময়, নির্ভরতা ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি প্রথমে সহজে পরীক্ষাযোগ্য সমাধান বিবেচনা করুন
যাচাইয়ের পদ্ধতি সাক্ষাৎকার, ব্যবহারযোগ্যতা পরীক্ষা, ল্যান্ডিং পেজ বা প্রোটোটাইপ পূর্ণাঙ্গ কাস্টম ডেভেলপমেন্টের আগে প্রমাণ সংগ্রহ করা যায়
Advertisement

MVP-এর আসল কাজ: ব্যবহারকারীর সমস্যা যাচাই করা

MVP হলো অপূর্ণ পণ্য প্রকাশ করার অজুহাত নয়। এর মূল কাজ হলো সীমিত ফিচার দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুমান পরীক্ষা করা। যেমন, নির্দিষ্ট ধরনের ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট কাজ দ্রুত বা সহজভাবে করতে চান কি না—এমন প্রশ্নের উত্তর খোঁজা।

ন্যূনতম ফিচার নয়, ন্যূনতম শেখার লক্ষ্য

“কম ফিচার” বললেই MVP ঠিক হয় না। প্রশ্ন হলো, কোন সীমিত ফিচার সেট আপনাকে সবচেয়ে দরকারি শিক্ষা দেবে। একটি ফিচার দেখতে ছোট হলেও যদি তা মূল ব্যবহারকারী কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য না করে, তাহলে সেটি MVP-এর অংশ নাও হতে পারে। আবার একটি ফিচার তুলনামূলক বড় হলেও সেটি ছাড়া প্রধান অনুমান পরীক্ষা সম্ভব না হলে সেটি প্রয়োজনীয় হতে পারে।

শেখার লক্ষ্য লিখুন: “এই ব্যবহারকারী কি এই সমস্যার জন্য আমাদের প্রস্তাবিত পদ্ধতি ব্যবহার করবেন?” লক্ষ্যটি স্পষ্ট হলে অপ্রয়োজনীয় স্ক্রিন, রিপোর্ট, ইন্টিগ্রেশন বা সাজসজ্জার ফিচার বাদ দেওয়া সহজ হয়।

ব্যবহারকারীর চাহিদা কেন MVP-এর সীমা ঠিক করে

ব্যবহারকারী হয়তো বলবেন, “একসঙ্গে অনেক অপশন চাই।” কিন্তু তাদের বাস্তব প্রয়োজন হতে পারে দ্রুত একটি কাজ শেষ করা, তথ্য খুঁজে পাওয়া, অথবা ভুল কমানো। অনুরোধ, অন্তর্নিহিত সমস্যা এবং বাস্তব প্রয়োজন এক জিনিস নয়।

  • অনুরোধ: ব্যবহারকারী কোন ফিচারের কথা বলছেন?
  • অন্তর্নিহিত সমস্যা: কেন তিনি ফিচারটি চাইছেন?
  • বাস্তব প্রয়োজন: কাজটি সম্পন্ন করতে আসলে কী বাধা দূর হওয়া দরকার?

এই তিনটি আলাদা করে না দেখলে দল ব্যবহারকারীর কথামতো ফিচার তৈরি করলেও মূল সমস্যার সমাধান নাও করতে পারে।

দ্রুত সিদ্ধান্ত

প্রথমে একটি ব্যবহারকারী গোষ্ঠী বেছে নিন। তারপর তাদের একটি প্রধান সমস্যার প্রমাণ নিন। শেষে সেই সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় সবচেয়ে ছোট ব্যবহারকারী প্রবাহটি প্রোটোটাইপ বা MVP-তে রাখুন।

Advertisement

কোন চাহিদা আগে নেবেন: মূল্য, প্রমাণ ও উন্নয়ন ব্যয়ের তুলনা

ফিচার তালিকা বড় হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু তালিকার সবকিছু একসঙ্গে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে পাঠালে বাজেট বাড়ে, সিদ্ধান্ত ধীর হয় এবং কোন ফিচারের কারণে ফল বদলাচ্ছে তা বোঝা কঠিন হয়। তাই প্রতিটি চাহিদাকে একইভাবে দেখা ঠিক নয়।

ব্যবহারকারীর প্রভাব বনাম বাস্তবায়নের জটিলতা

প্রতিটি ফিচার নিয়ে চারটি প্রশ্ন করুন: এটি ব্যবহারকারীর প্রধান কাজকে কতটা প্রভাবিত করে? ব্যবসায়িকভাবে এর মূল্য কী? বাস্তবায়নে কত সময় লাগতে পারে? এবং প্রযুক্তিগত ঝুঁকি কোথায়? উচ্চ ব্যবহারকারী মূল্য ও তুলনামূলক কম জটিলতা থাকা ফিচার সাধারণত প্রথম পরীক্ষার জন্য সুবিধাজনক।

তবে কেবল সহজ বলে কোনো ফিচার রাখবেন না। সহজ কিন্তু অপ্রাসঙ্গিক ফিচার থেকে ভুল শিক্ষা আসতে পারে। অন্যদিকে, জটিল একটি প্রয়োজন থাকলে আগে প্রোটোটাইপ বা সীমিত পরীক্ষা দিয়ে ঝুঁকি বোঝা যায়।

জরুরি সমস্যা, সুবিধাজনক ফিচার ও ভবিষ্যৎ অনুরোধের পার্থক্য

  • অবশ্যই দরকার: এটি ছাড়া ব্যবহারকারী প্রধান কাজটি শেষ করতে পারবেন না বা মূল অনুমান পরীক্ষা হবে না।
  • পরীক্ষামূলক: এটি মূল্য বাড়াতে পারে, কিন্তু আগে ছোট পরিসরে প্রতিক্রিয়া দেখা দরকার।
  • পরে যোগ করা যাবে: এটি সুবিধাজনক, কিন্তু প্রথম সংস্করণ ছাড়া মূল কাজ থেমে যায় না।

এই ভাগটি স্থায়ী নয়। সাক্ষাৎকার, ব্যবহারযোগ্যতা পরীক্ষা বা পণ্যের প্রতিক্রিয়া নতুন তথ্য দিলে অগ্রাধিকার বদলাতে পারে।

প্রোটোটাইপ, নো-কোড সমাধান ও কাস্টম ডেভেলপমেন্ট কখন যুক্তিযুক্ত

ব্যবহারকারীর প্রবাহ, ভাষা, বোতামের অবস্থান বা ধারণা বোঝার সমস্যা থাকলে প্রোটোটাইপিং টুল দিয়ে পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত হতে পারে। কোনো সাধারণ কাজের প্রতি আগ্রহ বা প্রাথমিক ব্যবহার আচরণ দেখতে চাইলে নো-কোড সমাধান বিবেচনা করা যায়।

যখন নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত প্রয়োজন, কাস্টম ব্যবহারকারী প্রবাহ, গুরুত্বপূর্ণ ইন্টিগ্রেশন বা পণ্যের ভিত্তি তৈরির প্রয়োজন সামনে আসে, তখন ইন-হাউস দল বা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন হতে পারে। কোন পথ ভালো হবে তা কাজের পরিধি, দক্ষতা, চুক্তির শর্ত এবং ঝুঁকির ওপর নির্ভর করে।

Advertisement

ব্যবহারকারীর প্রয়োজন সংগ্রহ থেকে MVP স্কোপ নির্ধারণের ধাপ

একটি ভালো স্কোপ ডকুমেন্ট বড় হওয়া জরুরি নয়। কিন্তু এতে কার জন্য কী সমস্যা, কী পরীক্ষা হবে এবং কোন জিনিসটি এখন করা হবে না—এসব পরিষ্কার থাকা দরকার।

সঠিক ব্যবহারকারী গোষ্ঠী ও সমস্যার বিবৃতি লিখুন

“সবার জন্য” পণ্য দিয়ে MVP শুরু করলে প্রতিক্রিয়া অস্পষ্ট হয়। বরং একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বাছুন এবং সমস্যার বিবৃতি লিখুন: তারা কোন পরিস্থিতিতে কোন কাজ করতে গিয়ে কী বাধার মুখে পড়েন।

ভালো সমস্যার বিবৃতি সমাধানের নাম বলে না। এটি ব্যবহারকারীর পরিস্থিতি ও বাধা বোঝায়। এতে পরে একই সমস্যার একাধিক সমাধান পরীক্ষা করা সম্ভব হয়।

সাক্ষাৎকারে মতামতের বদলে আচরণভিত্তিক প্রশ্ন করুন

শুধু “আপনি কি এই ফিচার ব্যবহার করবেন?” প্রশ্ন করলে ইতিবাচক উত্তর পাওয়া গেলেও বাস্তব ব্যবহার বোঝা যায় না। বরং জিজ্ঞেস করুন: সর্বশেষ কখন এমন সমস্যায় পড়েছিলেন? তখন কীভাবে সমাধান করেছিলেন? কোথায় সময় নষ্ট হয়েছিল? কোন বিকল্প ব্যবহার করেছিলেন?

সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি UX গবেষণা, ব্যবহারযোগ্যতা পরীক্ষা, ল্যান্ডিং পেজের প্রতিক্রিয়া এবং প্রোটোটাইপ পরীক্ষা ব্যবহার করা যায়। একাধিক উৎসের তথ্য মিলিয়ে দেখলে বলা চাহিদা ও বাস্তব আচরণের ফারাক ধরা সহজ হয়।

একটি মূল কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ফিচার নির্বাচন করুন

ব্যবহারকারী পণ্য খুলে কোন প্রধান কাজটি করবেন, সেটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লিখুন। এরপর প্রতিটি ধাপে কোন ফিচার ছাড়া কাজ থেমে যায় তা চিহ্নিত করুন। এই তালিকাই MVP-এর প্রাথমিক সীমা।

যে ফিচার মূল কাজের পরে আসে—যেমন বাড়তি কাস্টমাইজেশন, উন্নত রিপোর্ট বা অতিরিক্ত বিকল্প—সেগুলো “পরে” তালিকায় রাখুন। এটি বাদ দেওয়া নয়; বরং যাচাইয়ের আগে বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করা।

Advertisement

যে ভুলগুলো MVP-এর বাজেট ও শেখার গতি নষ্ট করে

MVP와 사용자 요구 사항의 관계 관련 이미지 2

MVP ব্যর্থ হওয়ার কারণ সব সময় প্রযুক্তি নয়। অনেক সময় সমস্যা হয় ভুল অগ্রাধিকার, অস্পষ্ট লক্ষ্য এবং প্রতিক্রিয়া মাপার পরিকল্পনা না থাকার কারণে।

সবাই যা চায়, সবকিছু প্রথম সংস্করণে যোগ করা

বিভিন্ন ব্যবহারকারীর অনুরোধ এক তালিকায় জমতে থাকে। কিন্তু সব অনুরোধ একই সমস্যা সমাধান করে না। প্রতিটি নতুন ফিচার উন্নয়ন ব্যয়, পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণের চাপ বাড়াতে পারে। প্রথমে প্রমাণিত সমস্যা, পরে বিস্তৃত সুবিধা—এই ক্রম ধরে রাখুন।

সমাধান তৈরির আগে সমস্যার প্রমাণ না নেওয়া

দল কোনো ধারণাকে ভালো মনে করলেই বাজারে তার প্রয়োজন প্রমাণিত হয় না। ল্যান্ডিং পেজ, সাক্ষাৎকার, প্রোটোটাইপ পরীক্ষা বা সীমিত ব্যবহারযোগ্যতা পরীক্ষা থেকে ইঙ্গিত নেওয়া যায়। প্রমাণ দুর্বল হলে পূর্ণাঙ্গ পণ্য তৈরির বদলে অনুমানটি আবার সংজ্ঞায়িত করা ভালো।

সাফল্যের মাপকাঠি ছাড়া পণ্য প্রকাশ করা

MVP প্রকাশের আগে ঠিক করুন কোন প্রতিক্রিয়া বা আচরণ দেখলে আপনার অনুমান শক্তিশালী হবে, আর কোন ফল দেখলে পরিবর্তন দরকার। মাপকাঠি ছাড়া “ভালো লাগছে” ধরনের প্রতিক্রিয়া থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঝুঁকি থাকে।

Advertisement

পরিস্থিতিভেদে প্রয়োজনের অগ্রাধিকার কীভাবে বদলায়

একই ফিচার এক ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি হলেও অন্যটির জন্য অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাই MVP স্কোপ কপি না করে পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে ঠিক করতে হয়।

নতুন বাজারে প্রবেশ করা স্টার্টআপের জন্য

নতুন স্টার্টআপের প্রধান প্রশ্ন হতে পারে: নির্বাচিত ব্যবহারকারীর সমস্যাটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ কি না এবং প্রস্তাবিত সমাধানটি তারা বুঝতে পারছেন কি না। এখানে দ্রুত শেখার সুযোগকে অগ্রাধিকার দিন। খুব বড় প্রযুক্তিগত কাঠামো তৈরির আগে সমস্যা ও ব্যবহার প্রবাহ যাচাই উপকারী হতে পারে।

বিদ্যমান ব্যবসার ডিজিটাল সেবা চালুর জন্য

বিদ্যমান ব্যবসার ক্ষেত্রে গ্রাহকের বর্তমান অভ্যাস, অভ্যন্তরীণ কাজের ধাপ এবং ডিজিটাল সেবার মধ্যে সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ। পুরোনো প্রক্রিয়ার কোন অংশে সবচেয়ে বেশি ঘর্ষণ হচ্ছে, সেটি না বুঝে নতুন ফিচার যোগ করলে প্রত্যাশিত সুবিধা নাও আসতে পারে।

B2B পণ্যে ক্রেতা, ব্যবহারকারী ও সিদ্ধান্তদাতার ভিন্ন চাহিদা

B2B পণ্যে যিনি কিনবেন, যিনি প্রতিদিন ব্যবহার করবেন এবং যিনি অনুমোদন দেবেন—তাঁদের লক্ষ্য এক নাও হতে পারে। ব্যবহারকারী সহজ কাজের প্রবাহ চাইতে পারেন, আর সিদ্ধান্তদাতা ব্যবসায়িক মূল্য বা ঝুঁকি দেখতে পারেন। তাই গবেষণায় সংশ্লিষ্ট ভূমিকাগুলো আলাদা করে বিবেচনা করুন।

Advertisement

নির্বাচনের মানদণ্ড ও তুলনা সারসংক্ষেপ

MVP তৈরির আগে এই বিষয়গুলো যাচাই করুন:

  • নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী গোষ্ঠী ও তাদের প্রধান সমস্যা লেখা আছে কি না।
  • সমস্যাটি সাক্ষাৎকার, আচরণ বা পরীক্ষার মাধ্যমে কিছুটা হলেও যাচাই হয়েছে কি না।
  • প্রথম সংস্করণের একটি মূল কাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন করা যায় কি না।
  • প্রতিটি ফিচারের ব্যবহারকারী মূল্য, ব্যবসায়িক মূল্য, সময় ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি বিবেচনা করা হয়েছে কি না।
  • কোন ফলাফল পেলে MVP পরিবর্তন, সীমিত বা সম্প্রসারিত করবেন তা ঠিক আছে কি না।

দলে প্রয়োজনীয় পণ্য, ডিজাইন ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা ধারাবাহিকভাবে থাকলে ইন-হাউস টিম কার্যকর হতে পারে। নির্দিষ্ট কাজের জন্য সীমিত দক্ষতা দরকার হলে ফ্রিল্যান্সার বিবেচনা করা যায়। কাজের পরিধি, UX গবেষণা, ডিজাইন ও উন্নয়ন একসঙ্গে সমন্বয় দরকার হলে ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির সক্ষমতা, যোগাযোগ পদ্ধতি, কাজের সীমা ও চুক্তির শর্ত তুলনা করুন।

প্রোটোটাইপিং টুল, UX গবেষণা সেবা বা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট পার্টনার বাছাইয়ের আগে তাদের অফিসিয়াল বিস্তারিত শর্ত, কাজের পরিধি এবং সহায়তার ধরন দেখে নিন।

Advertisement

শেষকথা

MVP-এর সঙ্গে ব্যবহারকারীর চাহিদার সম্পর্ক হলো অগ্রাধিকার নির্ধারণের সম্পর্ক। সব চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা নয়, বরং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সবচেয়ে ছোট যাচাইযোগ্য সমাধান তৈরি করাই লক্ষ্য। ব্যবহারকারীর কথা শুনুন, কিন্তু তাদের আচরণ ও কাজের বাস্তব বাধাকেও সমান গুরুত্ব দিন। প্রতিক্রিয়া পাওয়ার পরে স্কোপ বদলানো ব্যর্থতা নয়; এটি শেখার অংশ।

Advertisement

জানার মতো তথ্য

১. ব্যবহারকারীর অনুরোধ সব সময় মূল প্রয়োজন প্রকাশ করে না।
২. MVP-এর একটি নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী গোষ্ঠী ও একটি প্রধান সমস্যা থাকা উপকারী।
৩. ল্যান্ডিং পেজ, সাক্ষাৎকার, প্রোটোটাইপ এবং ব্যবহারযোগ্যতা পরীক্ষা ভিন্ন ধরনের প্রমাণ দিতে পারে।
৪. ফিচার বাদ দেওয়া মানে সেটি চিরতরে বাতিল করা নয়; এটি পরের সিদ্ধান্তের জন্য রাখা।

Advertisement

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সারসংক্ষেপ

কোন ফিচার অবশ্যই দরকার, তার উত্তর গবেষণা ও বাজার যাচাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। MVP-এর বাজেট, সময়সীমা এবং ফল পণ্য, বাজার, টিম ও প্রযুক্তির ওপর ভিন্ন হতে পারে। বাহ্যিক ডেভেলপমেন্ট টিমের মূল্য ও কাজের মানও দক্ষতা, কাজের পরিধি এবং চুক্তির শর্ত অনুযায়ী যাচাই করা প্রয়োজন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

Q1. MVP তৈরির জন্য কতজন ব্যবহারকারীর মতামত নেওয়া উচিত?

A1. নির্দিষ্ট একটি সংখ্যা সব পণ্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। লক্ষ্য হলো নির্বাচিত ব্যবহারকারী গোষ্ঠীর সমস্যা, আচরণ এবং প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে যথেষ্ট স্পষ্ট ধারণা পাওয়া। সাক্ষাৎকার, ব্যবহারযোগ্যতা পরীক্ষা ও প্রোটোটাইপের প্রতিক্রিয়া মিলিয়ে দেখলে সিদ্ধান্তের ভিত্তি শক্ত হতে পারে।

Q2. ব্যবহারকারীরা অনেক ফিচার চাইলে কোনগুলো আগে MVP-তে রাখা নিরাপদ?

A2. যে ফিচার ছাড়া ব্যবহারকারীর প্রধান কাজ সম্পন্ন হয় না এবং মূল অনুমান পরীক্ষা করা যায় না, সেটি আগে বিবেচনা করুন। এরপর ব্যবহারকারীর প্রভাব, ব্যবসায়িক মূল্য, বাস্তবায়নের সময় ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি তুলনা করুন। সুবিধাজনক কিন্তু অপরিহার্য নয় এমন ফিচার পরের সংস্করণের তালিকায় রাখা যায়।

Q3. MVP-এর জন্য নো-কোড টুল নাকি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি বেশি উপযোগী?

A3. এটি পণ্যের প্রয়োজন ও পরীক্ষার লক্ষ্য অনুযায়ী নির্ভর করে। সাধারণ প্রবাহ বা ধারণা যাচাইয়ে নো-কোড টুল বা প্রোটোটাইপ যথেষ্ট হতে পারে। কাস্টম প্রযুক্তি, জটিল ব্যবহারকারী প্রবাহ, ইন্টিগ্রেশন বা বিশেষ দক্ষতা দরকার হলে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি বা বিশেষজ্ঞ দলের সক্ষমতা ও কাজের শর্ত যাচাই করা যুক্তিযুক্ত।